১। পেয়াজ,রসুন এবং পেয়াজের গন্ধজুক্ত খাবারঃ পেয়াজ, রসুন রক্তে লোহিত রক্তকণিকা গুলোকে ধ্বংস করে দেয়। এটা হয়ে থাকে যখন পেয়াজ জাতীয় খাবার বেশি পরিমানে খেয়ে ফেলে। এর ফলে আপনার বিড়াল দুর্বল হয়ে যায়, মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়, ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়, গাম ফেকাসে হয়ে যায়।
২। কাচা ডিম, কাচা মাংস এবং হাড়ঃ সাধারণত কাচা ডিম, মাংসে Salmonella, E. coli থাকে। এগুলো কাচা খেতে দিলে পয়জনিং হয়। যেমন টা মানুষের হয়। এগুলো খেলে বমি, ডাইরিয়া, ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়।
৩। চকলেট ও কেফেইন জাতীয় খাবারঃ আমরা জানি চকলেট জাতীয় খাবার কুকুরের জন্য খুবই মারাত্বক, জীবন নাশকারী। কিন্তু আমরা আদরের বিড়ালটির কথা ভুলে যায়। চকলেট বিড়ালের জন্যও খুবই খারাপ। চকলেটে মিথাইলক্সান্থিনেস থাকে যার ফলে বমি, ডাইরিয়া, তৃষ্ণা এবং পেটের নানা সমস্যা তৈরি করে।
৪। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারঃ আমরা সবসময় মনে করি বিড়ালকে দুধ পান করালে তার জন্য উপকারী। কিন্তু এটা জানা নেই যে অতিরিক্ত দুধ পান করালে বিড়ালের ডাইরিয়া, বমি হয়। এর কারন হল দুধ হজম করার যে এনজাইম দরকার তা বিড়ালের বয়স বাড়ার সাথে কমতে থাকে। তবে কম ফ্যাট যুক্ত মিল্ক বিশেষ করে পাউডার দুধ দিতে পারেন।
৫। এলকোহল ও কাচা ময়দাঃ এই দুইটা খুবই খারাপ বিড়ালের জন্য। দেখা যায় খামির করা ময়দা বিড়াল খেয়ে ফেলে। যার জন্য পরবর্তীতে পাকস্থলীতে এলকোহল তৈরি করে। ফলে বমি, ডাইরিয়া, ট্রিমর, শ্বাস কষ্ট দেখা দেয়।
৬। আঙ্গুর ও কিসমিসঃ এগুলো বিড়ালকে অসুস্থ করে ফেলে। সবচেয়ে খারাপ বিষয়টি হল র্যাপিড কিডনি ফেইলার হয়। তাছাড়া পেট ব্যাথা, বমি ও প্রসাবের পরিমান কমিয়ে দেয়।
৭। Dog food: অনেকসময় আমরা Dog food কে বিড়ালকে খাইয়ে দি। তখন বিড়ালের অনেক সমস্যা দেখা দেয়, যা আমরা কোনদিন ভাবি না। এর কারণ হল ডগ ফুডের রেশন ফরমুলা আর ক্যাট ফুডের রেশন ফরমুলা এক না।
এছাড়াও অনেক খাবার আছে যেগুলো বিড়ালের জন্য উপকারী না। তবে আশার কথা হল বাজারে এখন অনেক রেডিমেড খাবার বের হয়েছে, জা খুব মানসম্মত আর পুষ্টিকর।
Comments
Post a Comment